ফ্ল্যাটের টাকা নগদ বা ব্যক্তিগত হিসাবে না দিয়ে প্রজেক্টের তথ্য, অ্যাকাউন্ট নাম, রসিদ ও চুক্তির শর্ত মিলিয়ে পেমেন্ট করুন।
ফ্ল্যাট কেনার সবচেয়ে সংবেদনশীল ধাপ হলো বুকিং মানি ও কিস্তি পরিশোধ। অনেক ক্রেতা লোকেশন ও ফ্ল্যাট পছন্দ করেই টাকা দিয়ে দেন, কিন্তু টাকা কোন অ্যাকাউন্টে যাচ্ছে, রসিদে কী লেখা আছে, চুক্তিতে পেমেন্ট শর্ত আছে কি না তা ভালোভাবে দেখেন না। এখানেই বড় ঝুঁকি।
ফ্ল্যাট কিস্তিতে সবচেয়ে বড় সতর্কতা
রিয়েল এস্টেট লেনদেনে ব্যাংকের মাধ্যমে পেমেন্ট করা সবচেয়ে নিরাপদ। পেমেন্ট করার আগে অ্যাকাউন্টের নাম ডেভেলপার/প্রজেক্টের নামে কি না, ব্যাংক শাখা, অ্যাকাউন্ট নম্বর, প্রজেক্টের নাম এবং চুক্তিপত্রের পেমেন্ট শিডিউল মিলিয়ে নিন। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে বা অস্বচ্ছ ক্যাশ পেমেন্টে ঝুঁকি বেশি, কারণ পরবর্তীতে প্রমাণ করা কঠিন হতে পারে।
প্রজেক্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যাচাই
প্রতিটি কিস্তির পরে অফিসিয়াল মানি রিসিট নিন। রিসিটে ক্রেতার নাম, ফ্ল্যাট নম্বর, প্রজেক্টের নাম, টাকা, তারিখ, পেমেন্ট মাধ্যম এবং অনুমোদিত স্বাক্ষর থাকতে হবে। ব্যাংক ট্রান্সফারের স্ক্রিনশট বা স্লিপ সংরক্ষণ করুন। চুক্তিপত্রে বিলম্ব, হস্তান্তর, কিস্তি মিস, রিফান্ড, কার পার্কিং, ইউটিলিটি চার্জ এবং রেজিস্ট্রেশন খরচের শর্ত স্পষ্ট আছে কি না দেখুন।
রসিদ, চুক্তি ও পেমেন্ট প্রমাণ
যদি প্রজেক্টটি ব্যাংকে বন্ধক থাকে, তাহলে ব্যাংক NOC ছাড়া ফ্ল্যাট কেনা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। একইভাবে ডেভেলপার এক প্রজেক্টের টাকা অন্য প্রজেক্টে ব্যবহার করছে কি না সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন। বড় অঙ্কের পেমেন্টের আগে আইনজীবী বা প্রপার্টি কনসালট্যান্ট দিয়ে চুক্তি রিভিউ করানো বুদ্ধিমানের কাজ।
ব্যাংক NOC ও বড় পেমেন্টের আগে রিভিউ
প্রয়োজন আবাসন ক্রেতাদের নিরাপদ পেমেন্ট, স্বচ্ছ চুক্তি এবং যাচাইকৃত প্রপার্টি নির্বাচনে সহায়তা করতে চায়। ফ্ল্যাট কেনা আনন্দের সিদ্ধান্ত; তাই পেমেন্ট প্রমাণ ও ব্যাংক তথ্য পরিষ্কার রাখুন।
কিস্তি দেওয়ার আগে অ্যাকাউন্ট নাম, প্রজেক্ট তথ্য ও রসিদ মিলিয়ে নিন।
---</strong></p>
Key takeaway
- ফ্ল্যাট কিস্তিতে সবচেয়ে বড় সতর্কতা
- প্রজেক্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যাচাই
- রসিদ, চুক্তি ও পেমেন্ট প্রমাণ
